Tuesday, May 31, 2016
Tuesday, May 17, 2016
বাংলাদেশ থেকে Amazon.com এর প্রোডাক্ট কিনুন সহজেই, ঘরে বসে!!!!!
যারা Amazon.com থেকে প্রোডাক্ট কিনতে পারিনা, বাংলাদেশ থেকে তাদের জন্য নতুন সার্ভিস চালু হল। এই লিঙ্ককে যেয়ে signup করলেই ৫০০ টাকা পাবেন/পাবা। এ
ই লিঙ্ক ব্যবহার না করলে কোন টাকা পাওয়া যাবে না।
শুধু Amazon থেকে প্রোডাক্ট এর নাম জেনে সার্চ দিলেই চলে আসবে। তারপর বাকিসব দেখলেই বুজবেন।
বি দ্রঃ পেমেন্ট সিস্টেম Bkash, Atm Card and More.
ই লিঙ্ক ব্যবহার না করলে কোন টাকা পাওয়া যাবে না।
শুধু Amazon থেকে প্রোডাক্ট এর নাম জেনে সার্চ দিলেই চলে আসবে। তারপর বাকিসব দেখলেই বুজবেন।
বি দ্রঃ পেমেন্ট সিস্টেম Bkash, Atm Card and More.
Thursday, May 12, 2016
বাংলাদেশ থেকে পেওনার কার্ড !!!!! Fully Free
বাংলাদেশ থেকে পেপাল ভেরিফাই করা অনেক ঝামেলাে এবং ব্যবহার করাও অনেক রিকস। তাই বিকল্প হিসেবে আমরা পেওনার ব্যবহার করত পারি। আরেকটা কথা, কারও রেফারে আবেদন না করলে কার্ড পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আর রেফারে করলে আপনি পাবেন $২৫ ডলার। ২৫ ডলার পেতে আপনাকে অবশ্যই ১০০ ডলার পেমেন্ট নিতে হবে! মানে ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে লোড নিতে হবে বা অন্য কারও কাডর্ থেকে লোড দিতে হবে।
প্রথমে কারও রেফারে সাইন আপ করতে হবে। এর পর আপনার National ID Card অনুযায়ী আপনার নাম ও ঠিকানা পূরন করুন। সবগুলোে বড় হাতের অক্ষর দিবেন
Payoneer master card free from Bangladesh-To get Click the to signup
আশা করি আপনার Card approve হবে এবং ১ মাসের মধ্যে আপনি কার্ড পেয়ে যাবেন। কষ্ট করে টিউনটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
প্রথমে কারও রেফারে সাইন আপ করতে হবে। এর পর আপনার National ID Card অনুযায়ী আপনার নাম ও ঠিকানা পূরন করুন। সবগুলোে বড় হাতের অক্ষর দিবেন
Payoneer master card free from Bangladesh-To get Click the to signup
আপনার নাম যদি MD. Saiful Islam হয় তাহলে
First Name = MD Saiful এবং
Last Name= ISLAM মনে রাখবেন . টা বাদ যাবে। আর ২ অংশ হলে যা আছে তাই।
আর একটা কথা, যে মেইল এবং ID Card দিয়ে একবার আবেদন করা, তা দিয়ে করবেন না।
এবার ID card অনুসারে আপনার ঠিকানা লিখুন। বিস্তারিত লিখার কোন সুযোগ নেই, তাই সংক্ষেপে লিখুন। নিচে দেখুন আমি লিখেছি:
এবার ID card অনুসারে আপনার ঠিকানা লিখুন। বিস্তারিত লিখার কোন সুযোগ নেই, তাই সংক্ষেপে লিখুন। নিচে দেখুন আমি লিখেছি:
এই Step টা খুবই গুরুত্তপূর্ন। প্রয়োজনে প্রতিটি Step Screen Shot দিয়ে সেভ করে রাখতে পারেন। যে কোন একটা Security Question Select করুন এবং নিচে উত্তর লিখুন।
পাস ওয়ার্ডটা অন্য কোথায় আগে লিখে কপি করে পেস্ট করতে পারেন।
পাস ওয়ার্ডটা অন্য কোথায় আগে লিখে কপি করে পেস্ট করতে পারেন।
এই Step টা খুবই গুরুত্তপূর্ন।
Type of Govt . ID তে National ID Select করুন। আপনার আইডি কার্ড এর নাম্বার দিন। Issuer Country Bangladesh Select করুন।
Type of Govt . ID তে National ID Select করুন। আপনার আইডি কার্ড এর নাম্বার দিন। Issuer Country Bangladesh Select করুন।
এইবার আপনি যদি গ্রামে থাকেন তাহলে অবশ্যই Enter Alternative Shipping address a টিক দিন এবং শহরের কারও বাসার ঠিকানা দিন। ঠিকানা Address: House: 3, Road no : 1, sector-5 Gulshan, Dhaka এই রকম হলে ভাল হয়। নিচে ৩ টা I agree তেই টিক দিন।
কাজ প্রায় শেষ। এইবার আপনার মেইল চেক করুন। দেখবেন একটা লিংকসহ মেইল যাবে এবং আপনাকে ডকুমেন্ট আপলোড করতে বলবে। আপনি লিংটিতে যেয়ে National ID Select করে আপনার ID Card এর Scan Copy Upload করুন। এরপর Payoneer A/C এ লগইন করুন। আপনাকে আগরে মত ২ টা Security Question Set করতে বলবে।
এবার কিছুদিন অপেক্ষা করুন। যদি ১ সপ্তাহের মধ্যে আপনার Payoneer a/c approve না হয় তাহলে Payoneer এর Help Option এ গিয়ে Chat করুন এবং সঠিক তথ্য দিন।
এবার কিছুদিন অপেক্ষা করুন। যদি ১ সপ্তাহের মধ্যে আপনার Payoneer a/c approve না হয় তাহলে Payoneer এর Help Option এ গিয়ে Chat করুন এবং সঠিক তথ্য দিন।
আশা করি আপনার Card approve হবে এবং ১ মাসের মধ্যে আপনি কার্ড পেয়ে যাবেন। কষ্ট করে টিউনটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
Wednesday, May 11, 2016
SSC 2016 এর Result দেখে নিন।। 2016!!!! New Proxy server Update.
বেশি কিছু বলব না।যারা Result পাননি তারা নিচের লিঙ্ক দুইটাতে ক্লিক করুন।
আজ তাহলে এপর্যন্তই।পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুল্বেন না।ভালো থাকবেন সবাই।
আল্লাহ্র হাফেজ।
Tuesday, May 10, 2016
hourly work ও client selection কিভাবে করবেন??
Hourly Rate Work:
এটা হল ঘণ্টা হিসাবের কাজ। আপনি প্রতি ঘণ্টা একটা নির্দিষ্ট রেট হিসাবে যত ঘণ্টা কাজ করবেন আপনার বায়ার আপনাকে ঠিক ততো ঘণ্টাহিসাবে টাকা যত টাকা আসে তা দিয়ে দিবেন। নতুন অবস্থায় এই ধরনের কাজইকরবেন, কেননা এই ধরনের কাজে কোন রিস্ক থাকে না। আপনি যতটুকু কাজ করবেন আপনার বায়ার আপনাকে ততটুকুর টাকা দিতে বাধ্য থাকবেন। হ্যাঁ, আপনার কাজ যদি তার পছন্দ না হয় তবে তিনি আপনাকে খারাপ ফিডব্যাক দিতে পারেন, কিন্ত টাকা তাকে দিতেই হবে, তাই আমি আগের পোস্টেও বলেছি, এখনও বলছি কাজ না শিখে কাজ করতে যাবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।ঊপরের ছবিতে দেখেন প্রতি কাজের Description এর নিচে hourly না Fixed সেটা দেয়া আছে। আপনারা শুধু hourly গুলাতে অ্যাপ্লাই করবেন।
Client নির্বাচন কিভাবে করবেনঃ
উপরের ছবিতে দেখেন কাজের Description এর শেষে ছোট করে Client এর payment method এর বর্ণনা দেয়া আছে। যাদের payment method ভেরিফাইড মানে যারা আপনাকে টাকা Pay করতে পারবে তাদের পাশে সবুজ কালার দেয়া। আর যাদের payment method ভেরিফাইড নেই তাদের কোন কালার দেয়া নেই। ছবিতে দ্বিতীয় Client এর payment method ভেরিফাইড নেই, মানে সে আপনাকে pay করতে পারবে না, কিন্ত প্রথম Client এর payment method ভেরিফাইড। সে আপনাকে pay করতে পারবে।
তাহলে বুজতেই পারছেন কাদের কাজ করবেন, আর কাদের টা তা।
এই হল upwork এর মোটামুটি বেসিক আলোচনা। পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত দেখানোর চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ। ভাল থাকবেন সবাই।
Upwork এ কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়???
আজ আপনাদের UPwork এ কাজের প্রকার নিয়ে আলোচনা করব।
প্রতিটি মার্কেটপ্লেসে সাধারনত ২ প্রকার কাজ থাকে।
- ফিক্সড প্রাইস কাজ (Fixed price work)
- ঘণ্টা হিসাব (Hourly work)
ফিক্সড প্রাইস কাজ (Fixed price work:
Fixed price work হল এমন সব কাজ জার পুরো কাজটির মূল্য আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। আপনি Upwork বা Freelancing মার্কেটপ্লেসে গেলেই যখন নতুন কাজের তালিকা দেখবেন তখন কাজের হেডলাইনের নিচে বা পাশেই দেখতে পারবেন এটা fixed price নাকি hourly rate এর কাজ। নতুনদের জন্য এ সকল fixed price এর কাজ না করাই ভাল। কারন এর কোন গ্যারান্টি নাই। ধরুন আপনি একটি 100$ এর Fixed price কাজ করলেন, অনেক কষ্ট করে কাজটি করলেন এবং তা আপনার বায়ারকে (যিনি কাজ দিয়েছিলেন) সাবমিট করলেন, এখন আপনার বায়ার তা পছন্দ করল না, বা বায়ার তা ইচ্ছা করেই পছন্দ অরল না, এখন সে যদি আপনাকে টাকা না দেয় তাহলে আপনি কিসুএ করতে পারবেন না, আপনি চাইলে Clint এর নামে Upwork এর support এর কাছে নালিশ করতে পারবেন। এর ফলে ঐ বায়ার আপনাকে disput দিবে, অর্থাৎ আপনি কজাটি ঠিক মত করতে না পারায় আপনার বায়ার এর সাথে Payment নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। ফলে Upwok এর একটি টিম মেসেজ এর মাধ্যমে আপনার ও বায়ার এর কোথা শুনবে ও সিদ্ধান্ত নিবে, আপনি কাজটি করতে পারেন নাই,নাকি আপনার বায়ার আপনার সাথে দুই নাম্বারি করেসে। ঘটনা জাই হক না কেন আদের এই নিরিক্ষনের ফল কিন্তু একই, তারা আপনার বুয়ের ক সাপোর্ট করবে, কারন আপনি যদি না থাকেন তবে তাদের কোন লস নেই, আপনি যে কাজটি করতেন তা অন্য কেও করতে পারবে, কিন্তু বায়ার না থাকলে তারা একজন কাজ দাতাকে হারাবে, যাদের কাজ দিয়েই Upwork এর বিজনেস। ফলে আপনি কাজ+ টাকা + আপনার রেপুটেশন সব হারাবেন। সাথে সাথে আপনার প্রোফাইল আ one disput লেখা হয়ে যাবে, ফলে আপনি যখন অন্য কাজে বিড করবেন তখন Client আপনার প্রোফাইলে গিয়ে দেখবে one disput তার মানে, তখনি তিনি ধরে নিবেন যে, আপনি কাজ পারেন না। তাই ভুলেও নতুন অবস্থায় ফিক্সড প্রাইস এর কাজে বিদ করবেন না। টবে একটু পুরাতন হলে করতে পারেন।
নিচের ছবি দেখে বুজতে পারবেন,
নিচের ছবি দেখে বুজতে পারবেন,
উপরের ছবিতে client selection এর ব্যাপার টাও দেখানো হয়েছে। আগামি পর্বে আপনাদের সামনে hourly work ও client selection কিভাবে করবেন সেটা আলোচনা করব।
Saturday, May 7, 2016
upwork এ SEO skill টেস্ট কিভাবে দিবেন??? ভিডিও সহ
আজ আপনাদের upwork এ SEO skill টেস্ট কিভাবে দিতে হয়, বিগিনার পর্যায়ে সেটা দেখাব। আসলে ভিডিও ছাড়া লিখে বুঝানো অনেক কঠিন। নিচের ভিডিও টা দেখে কোথাও বুজতে না পারলে বলবেন।
Friday, May 6, 2016
upwork এ কিভাবে অ্যাকাউন্ট খুলবেন??? ভিডিও সহ
আজ আপনাদের upwork এ কিভাবে অ্যাকাউন্ট খুলবেন সেটা ভিডিও এর মাধ্যমে দেখাব। এটা শুধু ড্রাফট অ্যাকাউন্ট, ফুল Verified অ্যাকাউন্ট করতে স্কিল্ল টেস্ট দিতে হয়। সেটা পরের ভিডিওতে দাখাব ও অ্যাকাউন্ট Verify এর জন্য সাবমিট করা দেখাব।
কোথাও বুজতে না পারলে কমেন্ট করে জানাবেন।
ঘরে বসে আয়ের ১০ উপায়!!
প্রতিদিন একই সময়ে অফিস, গৎবাঁধা চাকরি আর ছকে বাঁধা জীবনের প্রতি
বিতৃষ্ণা জন্মেছে? তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষের এই যুগে বাসায় বসেই নানা রকম
কাজের সুযোগ রয়েছে। এ রকম স্বাধীনভাবে উপার্জনের জন্য আপনার চাই দক্ষতা ও
নিষ্ঠা এবং অবশ্যই ইন্টারনেট-সংযোগ। চলুন, অফিসে না গিয়েই করা যায়, এমন
১০টি কাজ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিই
ই-মেইলে বিপণন: জনসংযোগ বা বিপণন বিষয়ে পড়াশোনা বা কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে আপনি ই-মেইলের মাধ্যমে বিপণনের কাজ করতে পারেন। বিভিন্ন পণ্যের প্রচার এবং গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগের এই কাজ কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে যেমন করা যায়, তেমনি ফ্রিল্যান্স ভিত্তিতে একাধিক প্রতিষ্ঠানেও করার সুযোগ আছে। যোগাযোগ এবং ওয়েব ও গ্রাফিক ডিজাইনে দক্ষ ব্যক্তিরা এ কাজে বাড়তি সুবিধা পাবেন।
প্রচারমূলক ভিডিওচিত্র নির্মাণ: চলচ্চিত্র নির্মাণ বিষয়ে জানাশোনা বা কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে স্বাধীন নির্মাতা হতে পারেন। কাজটা হলো বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন বা প্রচারমূলক ভিডিওচিত্র বানিয়ে ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম প্রভৃতি অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশের। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো পারিশ্রমিক দেবে।
ফ্রিল্যান্স লেখালেখি: কপি রাইটিং থেকে শুরু করে ছদ্মনামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রকাশনা সংস্থার হয়ে লিখতে পারেন। তবে এ জন্য চাই প্রচুর পরিশ্রম ও ধৈর্য। লেখার মান ভালো হলে এ কাজের মাধ্যমে ঘরে বসে বা প্রত্যন্ত এলাকায় থেকেই পর্যাপ্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে।
ওয়েব/গ্রাফিক ডিজাইন: ওয়েব ডিজাইন বা গ্রাফিক ডিজাইনের কাজের চাহিদা রয়েছে। তবে সেটা ভালো করে রপ্ত করতে হবে। রাতারাতি এটা সম্ভব হয় না। আজকাল অনলাইনেও এসব বিষয় শেখা যায়। এখন প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেরই ওয়েবসাইট খুলে সেগুলো নিয়মিত হালনাগাদ করতে হয়। তাই এসব ডিজাইনারের কাজের সুযোগ ভবিষ্যতে অনেক বাড়বে।
অনুবাদক: দুই বা তারও বেশি ভাষায় দক্ষতা থাকলে অনুবাদকের কাজ পাবেন। এ রকম কাজ বাড়িতে বসেই করা যায়। বাঁধাধরা চাকরিতে না গিয়ে ফ্রিল্যান্স বা চুক্তিভিত্তিক অনুবাদের কাজও পাওয়া যায়। অনলাইন পোর্টাল বা বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনুবাদক নিয়োগ করে থাকে।
গ্রাহকসেবা ব্যবস্থাপনা: অনেক প্রতিষ্ঠান নিজেদের পণ্যের বিষয়ে অনলাইনে গ্রাহকদের অনুরোধে সেবা দিয়ে থাকে। ইন্টারনেটনির্ভর কেনাকাটার বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ‘হেল্প’ অথবা ‘তাৎক্ষণিক সাহায্যের জন্য ই-মেইল করুন’ ইত্যাদি অংশ থাকে ক্রেতাদের জন্য। গ্রাহকসেবা ব্যবস্থাপকদের কাজ হলো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এসব অনুরোধের জবাব দিয়ে সেবার গুণগত মান বৃদ্ধি করা। এটা দূরে থেকে অনলাইনে অথবা ক্ষেত্রবিশেষে ফোনেই সম্পন্ন করা যায়।
অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনের অ্যাপ তৈরি: কম্পিউটার বিজ্ঞান বা সফটওয়্যার প্রকৌশলে পড়াশোনা থাকলে অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনের বিভিন্ন অ্যাপ তৈরির কাজ করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে মানুষের চাহিদা ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের উপযোগী অ্যাপ বানাতে হবে। এ কাজ যেকোনো স্থানে বসে করা সম্ভব।
তহবিল সংগ্রহ: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের জন্য চলচ্চিত্র ও সংগীতের আয়োজন বা দাতব্য প্রকল্প চালনার উদ্দেশ্যে তহবিল সংগ্রহের প্রচলন পশ্চিমা দেশগুলোতে বেশি। বিক্রয় ও বিপণন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ এ ক্ষেত্রে আপনাকে এগিয়ে রাখবে।
ই-বই প্রকাশ: যুগ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কাগুজে বইয়ের জায়গা নিচ্ছে যান্ত্রিক ই-বই। এখন মানুষ ই-বই কিনতে শুরু করেছে এবং এর একটা বড় বাজারও তৈরি হচ্ছে। এসব বই প্রকাশ ও বিপণনের কাজ পুরোটাই ইন্টারনেটনির্ভর। এ কাজের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।
আপনার বর্তমান কাজ: অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন ঘরে বসে নানান পেশার কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ বেড়েছে। প্রযুক্তিগত সুবিধা সহজলভ্য হওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অনলাইননির্ভর হয়ে যাচ্ছে। অফিসে না গিয়ে দূর থেকেই করে ফেলা যাচ্ছে বেশির ভাগ কাজ। আপনার বর্তমান কাজের ধরনটাও সেভাবে পাল্টে নিয়ে বাড়িতে বসেই করা যায় কি না, যাচাই করে দেখুন।
প্রথমে আলো থেকে সংগৃহীত
ই-মেইলে বিপণন: জনসংযোগ বা বিপণন বিষয়ে পড়াশোনা বা কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে আপনি ই-মেইলের মাধ্যমে বিপণনের কাজ করতে পারেন। বিভিন্ন পণ্যের প্রচার এবং গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগের এই কাজ কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে যেমন করা যায়, তেমনি ফ্রিল্যান্স ভিত্তিতে একাধিক প্রতিষ্ঠানেও করার সুযোগ আছে। যোগাযোগ এবং ওয়েব ও গ্রাফিক ডিজাইনে দক্ষ ব্যক্তিরা এ কাজে বাড়তি সুবিধা পাবেন।
প্রচারমূলক ভিডিওচিত্র নির্মাণ: চলচ্চিত্র নির্মাণ বিষয়ে জানাশোনা বা কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে স্বাধীন নির্মাতা হতে পারেন। কাজটা হলো বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন বা প্রচারমূলক ভিডিওচিত্র বানিয়ে ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম প্রভৃতি অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশের। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো পারিশ্রমিক দেবে।
ফ্রিল্যান্স লেখালেখি: কপি রাইটিং থেকে শুরু করে ছদ্মনামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রকাশনা সংস্থার হয়ে লিখতে পারেন। তবে এ জন্য চাই প্রচুর পরিশ্রম ও ধৈর্য। লেখার মান ভালো হলে এ কাজের মাধ্যমে ঘরে বসে বা প্রত্যন্ত এলাকায় থেকেই পর্যাপ্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে।
ওয়েব/গ্রাফিক ডিজাইন: ওয়েব ডিজাইন বা গ্রাফিক ডিজাইনের কাজের চাহিদা রয়েছে। তবে সেটা ভালো করে রপ্ত করতে হবে। রাতারাতি এটা সম্ভব হয় না। আজকাল অনলাইনেও এসব বিষয় শেখা যায়। এখন প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেরই ওয়েবসাইট খুলে সেগুলো নিয়মিত হালনাগাদ করতে হয়। তাই এসব ডিজাইনারের কাজের সুযোগ ভবিষ্যতে অনেক বাড়বে।
অনুবাদক: দুই বা তারও বেশি ভাষায় দক্ষতা থাকলে অনুবাদকের কাজ পাবেন। এ রকম কাজ বাড়িতে বসেই করা যায়। বাঁধাধরা চাকরিতে না গিয়ে ফ্রিল্যান্স বা চুক্তিভিত্তিক অনুবাদের কাজও পাওয়া যায়। অনলাইন পোর্টাল বা বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনুবাদক নিয়োগ করে থাকে।
গ্রাহকসেবা ব্যবস্থাপনা: অনেক প্রতিষ্ঠান নিজেদের পণ্যের বিষয়ে অনলাইনে গ্রাহকদের অনুরোধে সেবা দিয়ে থাকে। ইন্টারনেটনির্ভর কেনাকাটার বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ‘হেল্প’ অথবা ‘তাৎক্ষণিক সাহায্যের জন্য ই-মেইল করুন’ ইত্যাদি অংশ থাকে ক্রেতাদের জন্য। গ্রাহকসেবা ব্যবস্থাপকদের কাজ হলো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এসব অনুরোধের জবাব দিয়ে সেবার গুণগত মান বৃদ্ধি করা। এটা দূরে থেকে অনলাইনে অথবা ক্ষেত্রবিশেষে ফোনেই সম্পন্ন করা যায়।
অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনের অ্যাপ তৈরি: কম্পিউটার বিজ্ঞান বা সফটওয়্যার প্রকৌশলে পড়াশোনা থাকলে অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনের বিভিন্ন অ্যাপ তৈরির কাজ করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে মানুষের চাহিদা ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের উপযোগী অ্যাপ বানাতে হবে। এ কাজ যেকোনো স্থানে বসে করা সম্ভব।
তহবিল সংগ্রহ: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের জন্য চলচ্চিত্র ও সংগীতের আয়োজন বা দাতব্য প্রকল্প চালনার উদ্দেশ্যে তহবিল সংগ্রহের প্রচলন পশ্চিমা দেশগুলোতে বেশি। বিক্রয় ও বিপণন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ এ ক্ষেত্রে আপনাকে এগিয়ে রাখবে।
ই-বই প্রকাশ: যুগ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কাগুজে বইয়ের জায়গা নিচ্ছে যান্ত্রিক ই-বই। এখন মানুষ ই-বই কিনতে শুরু করেছে এবং এর একটা বড় বাজারও তৈরি হচ্ছে। এসব বই প্রকাশ ও বিপণনের কাজ পুরোটাই ইন্টারনেটনির্ভর। এ কাজের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।
আপনার বর্তমান কাজ: অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন ঘরে বসে নানান পেশার কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ বেড়েছে। প্রযুক্তিগত সুবিধা সহজলভ্য হওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অনলাইননির্ভর হয়ে যাচ্ছে। অফিসে না গিয়ে দূর থেকেই করে ফেলা যাচ্ছে বেশির ভাগ কাজ। আপনার বর্তমান কাজের ধরনটাও সেভাবে পাল্টে নিয়ে বাড়িতে বসেই করা যায় কি না, যাচাই করে দেখুন।
প্রথমে আলো থেকে সংগৃহীত
Thursday, May 5, 2016
ক্যাপচা এন্ট্রি কাজ করে টাকা আয় করার উপায়!!
শুরুতে বলেছি আমি ডাটা এন্ট্রি বা ক্যাপচা এন্ট্রি’র কাজ পছন্দ করি না। তারপরও কেন এই লেখা? এই লেখা শুধুমাত্র একটা কারণেই। অনেকেই অভিযোগ করেন তিনি অনলাইনে আয় করতে পারছেন না। ব্যর্থ হচ্ছেন। কাজ পাচ্ছেন না… ইত্যাদি ইত্যাদি। শুধুমাত্র তাদের কথা বিবেচনা করেই এই লেখার অবতারণা। অনলাইনে আমি যে কয়টি নির্ভরযোগ্য ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রির ওয়েবসাইট পেয়েছি তাদের মধ্যে প্রোটাইপারস আমার কাছে সেরা মনে হয়েছে। তাই জন্যই এটা নিয়ে লিখতে বসলাম।
ক্যাপচা এন্ট্রি কী?
এটা খুবই সিম্পল একটা কাজ। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লগিন করতে গেলে দেখবেন একটা কোড আসে যেটা পাশে বা উপরের বক্সে টাইপ করে লগিন বা রেজিস্ট্রার করতে হয়। সেইটাকে বলে ক্যাপচা। এখানে আপনি যখন কাজ শুরু করবেন তখন আপনাকে এই ধরণের কাজ করতে হবে। একটা একটা করে ক্যাপচা আসবে আর আমি দেখে দেখে শুধু টাইপ করবেন আর এন্টার চাপবেন।
প্রোটাইপারস কি?
প্রোটাইপারস হচ্ছে ক্যাপচা এন্ট্রি কাজের ক্ষেত্র। এখানে রেজিস্ট্রার করে আপনি ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে পারবেন। এদের ইন্টারফেস খুবই সুন্দর এবং সহজ। এখানে সাইনআপ করতে কোনো টাকা/পয়সা লাগে না। সম্পূর্ণ ফ্রি প্রোটাইপারস রেজিস্ট্রেশন।
>> প্রোটাইপারস ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
রেজিস্ট্রেশন করার সময় আপনাকে পেমেন্ট মেথড সিলেক্ট করে দিতে হবে। এটা পরে আর চেঞ্জ করা যায় না। সুতরাং ভাবনা-চিন্তা করে এটা সিলেক্ট করবেন।
কীভাবে প্রোটাইপারসে কাজ করবো?
খুবই সহজ। রেজিস্ট্রেশন কমপ্লিট হয়ে গেলে লগিন করুন। তারপর “Start Working” বাটনে ক্লিক করলে নতুন একটি পেজ ওপেন হবে। নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুন। দেখলেই বুঝতে পারবেন। ইমেজ লেখার পাশের ইমেজটি নিচের টেক্সট বক্সে দেবেন এবং এন্টার চাপবেন। প্রতিটি ক্যাপচা এন্ট্রি করার জন্য ১৫ সেকেন্ড সময় পাবেন। তবে সাধারণত ৩-৫ সেকেন্ডেই হয়ে যায়। আপনি যদি আরও দ্রুত কাজ করতে চান তাহলেও এখানে ব্যবস্থা আছে। ওদের হাইস্পিড ওয়ার্ক বেটা সংস্করণ-এ ক্লিক করলে আরও দ্রুত ক্যাপচা পাবেন যদি আপনার নেট স্পীড ভালো হয়ে থাকে।
প্রোটাইপারস পেমেন্ট কীভাবে পাবো?
প্রোটা্পারস ৫ ধরণের পেমেন্ট মেথড সাপোর্ট করে। এতো বেশি পরিমাণ পেমেন্ট মেথড আর কোনো ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রি সাইটে আছে বলে আমার জানা নেই। অন্তত আমি যখন কাজ করতাম তখনতো ছিলোই না।
এগুলো হচ্ছে- পেপাল, ওয়েবমানি, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, পারফেক্ট মানি এবং পেয়যা (এলার্টপে)। প্রতিটি পেমেন্ট মেথড নিয়ে ভবিষ্যতে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে আছে।
যাইহোক, আপনি এই ৫টা পেমেন্ট মেথডের যেকোনো একটা ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহেই টাকা উইথড্র করতে পারেন। মিনিমাম পেআউট মাত্র ১ ডলার।
এগুলো হচ্ছে- পেপাল, ওয়েবমানি, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, পারফেক্ট মানি এবং পেয়যা (এলার্টপে)। প্রতিটি পেমেন্ট মেথড নিয়ে ভবিষ্যতে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে আছে।
যাইহোক, আপনি এই ৫টা পেমেন্ট মেথডের যেকোনো একটা ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহেই টাকা উইথড্র করতে পারেন। মিনিমাম পেআউট মাত্র ১ ডলার।
প্রোটাইপারস-এর সুবিধাঃ
ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এখানে খুব ধীর গতিতে ক্যাপচা আসে। ফলে এক হাজার এন্ট্রি করতে অনেক সময় লেগে যায়। কিন্তু প্রোটাইপারসে এই সমস্যা একেবারেই নেই। আপনি যতো দ্রুত কাজ করতে পারবেন ততো দ্রুত ক্যাপচা পেয়ে যাবেন। এটা অনেক বড় একটা সুবিধা বলেই আমার কাছে মনে হয়। এছাড়াও এখানে কাজ করতে পারেন নিশ্চিন্তে। পেমেন্ট মিস হওয়ার কোনোই সম্ভবনা নেই।
ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রিতে আয়ের পরিমাণঃ
এটা যেহেতু আপনার দক্ষতা অর্থাৎ কী পরিমাণ কাজ করছেন তার উপর নির্ভর করে সুতরাং আপনি যতো কাজ করবেন সেই অনুযায়ী টাকা পাবেন। এখানে প্রতি ১০০০ হাজার ক্যাপচা এন্ট্রি করার জন্য মিনিমাম ০.৫০ ডলার এবং সর্বোচ্চ ১.৩৫ ডলার দিয়ে থাকে।
প্রোটাইপারসের অসুবিধাঃ
কাজের মূল্য খুবই কম। অবশ্য সব ডাটা এন্ট্রির কাজই কম মূল্যের। পরিশ্রমের তুলনায় কাজের আউটপুট খুবই সামান্য। সুতরাং কাজ শুরু করার আগে আবারও ভেবে নিন।
শেষ কথাঃ
যদি বিকল্প থাকে তাহলে ডাটা ক্যাপচা এন্ট্রির কাজ না করাই ভালো বলে মনে করি। তারপরও শুরু করার জন্য প্রোটাইপারস সেরা এ নিশ্চয়তা অবশ্য আপনাকে দেয়া যাচ্ছে।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।
RevenueHits হল শ্রেষ্ঠ বিকল্প বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান।
প্রথমেই সবাইকে সালাম জানাচ্ছি। এটি আমার প্রথম টিউন। জানিনা কেমন হবে। চেষ্টা করছি ভাল করার। ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।
আমরা প্রায় সকল ওয়েবমাস্টারই কম বেশি গুগল এ্যডসেন্স একাউন্টের জন্য অনেক চেষ্টা করি। কেউ খুব সহজেই পেয়ে যাই আবার কেউ অনেক চেষ্টা করেও পাননা। গুগল এ্যডসেন্স এখন ডিম পাড়া মুরগির মতন। গুগল এ্যডসেন্স একাউন্ট পাওয়া যতটা কঠিন, একাউন্টটিকে ঠিকঠাক রাখা তার চেয়েও কঠিন। কেননা গুগলের অনেক বাধ্যবাধকতা আছে। যা মেনে চলা অনেক কঠিন। অনেক ক্যাটাগরির সাইট বিশেষ করে এডাল্ট, কপি-পেস্ট, ডাউনলোডিং সাইটেতো গুগল এ্যডসেন্স ব্যবহারই করা যাবেনা। ব্যবহার করলেই একাউন্ট ব্যান হবে। তাই আজকে আমি Google Adsense এর শ্রেষ্ঠ বিকল্প বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান সাইট সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি। সাইটটির নাম RevenueHits. নিচে সাইটটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করছি। কিভাবে রিভিনিউহিটস ব্যবহার করবেন সেটা একদম পোষ্টের শেষে পাবেন। তবে তার আগে রিভিনিউহিটস সম্পর্কে জেনে নিন।
Revenue Hits কি ?
Revenue Hits একটি ইসরাইল ভিত্তিক অনলাইন বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান যা একটি ওয়েবসাইটের ট্রাফিক থেকে অর্থ উপার্যন করতে সহায়তা করে। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে। এটি ইসিপিএম এর মধ্যে সর্বোচ্চ $30 পর্যন্ত বহন করে এবং এটি একটি সিপিএ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। এরা বিজ্ঞাপনদাতার চাহিদার তুলনায় প্রকাশকের আনা ট্রাফিকের ওপর নির্ভর করে অফার বা বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে থাকে। এটি দেশ ভিত্তিক লক্ষপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক তথ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক।
RevenueHits কিভাবে অর্থ প্রদান করে ?
RevenueHits সম্পকে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে এটি এড ইম্প্রেশন বা ক্লিকে অর্থপ্রদান করেন না। এটি সিপিএ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান যেমন- কর্ম ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান।
বর্তমানে সিপিএ নেটওয়ার্ক গুলো বিজ্ঞাপন ইম্প্রেশন বা ক্লিকের ওপর অর্থ দেয়না বরং ব্যবহারকারীর কর্মের ওপর অর্থ দেয়। ব্যবহারকারীর কর্ম যেকোন ধরনের হতে পারে যেমন, ওয়েবসাইট ভিজিট, ইউজার ইমেইল, আইডি, মোবাইল নম্বর, অন্যান্য তথ্য, কোন সফটওয়্যার ইনিস্টল বা একাউন্ট তৈরি ইত্যাদি ইত্যাদি যা বিজ্ঞাপনদাতা চায়। সুতরাং বিভিন্ন ফোরাম সাইটে বল্গারদের পোষ্ট বা মন্তব্যে আপনার দ্বিধাবোধ হতে পারে যে 10000 ভিজিটরে প্রতিদিন $50 – $60 ইনকাম হয় আবার অন্য দিন বা অন্য ব্লগারের কোন ইনকামই হয়না।
Revenue Hits ব্যবহার করে অনেকেই অল্প ট্রাফিক বা ভিজিটর দিয়ে দিনে $5 – $10 ইনকাম করছে।
তবে Revenue Hits এর বিশেষ একটি দিক হচ্ছে এটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান। মনে করুন আপনি ইউ.কে তে আছেন আপনার কাছে কখনই ইউ.এস ভিত্তিক আমাজনের বিজ্ঞাপন প্রকাশ হবেনা। আপনার কাছে ইউ.কে ভিত্তিক কোন লক্ষ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হবে। ফলে ইসিপিএম রেটটাও বেশি থাকবে এবং সর্বোচ্চ উপার্যনের সুযোগ থাকবে।
RevenueHits পেমেন্ট বা টাকা উত্তোলনের পদ্ধতি ?
Revenue Hits এর টাকা উত্তোলনের পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে পেপাল, পেওনিয়ার, ব্যাংক ট্রান্সফার।
সর্বনিম্ন পেমেন্ট $20
পেমেন্ট ফ্রিকুয়েন্সি: NET.30
RevenueHits পাবলিশার রিফারেলে বোনাস আছে ?
Revenue Hits পাবলিশার রিফারেলে ১০০ ইউ.এস ডলার পর্যন্ত পাবার সুযোগ আছে। কিভাবে পাবেন তা ও বলছি। আপনার রিফারেলের কোন পাবলিশার যখন $10 ইনকাম করবে তখন আপনিয় $10 পাবেন। আরও $40 পাবেন যখন সেই পাবলিশারের $50 ইনকাম হবে। শুধু এইটুকুই নয়, সেই পাবলিশারের যদি $100 ইনকাম হয় তাহলে আপনি আরও $50 বোনাস পাবেন। তাহলে মোট $100 আপনি অতিরিক্ত পাচ্ছেন। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে শুধু যদি ভাল মানের পাবলিশার রিফার করতে পারেন তাহলেই আপনার পকেট গরম হওয়া ঠেকায় কে ? নিচের ছবিটিতে দেখুন রিফারেল বোনাস 20 ডলার পেয়েছে।
Revenue Hits কি কি ধরনের বিজ্ঞাপন সাপোর্ট করে ?
ব্যানার এ্যডস
পপআন্ডার এ্যডস
স্যাডো বক্স এ্যডস
সস্নাইডার এ্যডস
টপ / বটম / সাইড ব্যানার এ্যডস
বাটন এ্যডস
মোবাইল এ্যডস
RevenueHits এ্যকাউন্ট করা সহজ নাকি কঠিন ?
শুরুতেই বলেছিলাম গুগল এ্যাডসেন্স একাউন্ট পাওয়া অনেক কঠিন কাজ। তাছাড়া বিভিন্ন সনামধণ্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য অনেক বাধ্যবাধকতা থাকে যা অনেক ওয়েবমাস্টারের পক্ষ্যে সম্ভব হয়না। ফলে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। কিন’ RevenueHits এর ক্ষ্যেত্রে তেমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। মাত্র ৫ মিনিটেই আপনার একাউন্ট রেডি।
আপনি যদি নতুন ব্লগার হয়েথাকেন তাহলে আমি সাজেশন দিবো আপনি নির্দিধায় RevenueHits ব্যবহার করুন।
Revenue Hits VS Google Adsense বা অন্যন্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান কোনটা বেশি ভাল ?
আমি এখানে শুধু এ্যডসেন্স এর সঙ্গে রিভিনিউহিটসের তুলনা করবো। কেননা আমরা সবাই জানি যে গুগল এ্যডসেন্স ই সেরা। তাই বাকি বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের (ClickSor, InfoLinks,Chitika, Bidvertiser) সঙ্গে তুলনা করে শুধু শুধু সময় নষ্ট করছি না। তাহলে আসুন দেখি দুইটার মিল ও পার্থক্য।
Revenue Hits ও Google Adsense এর মধ্যে মিল-
১. রিভিনিউহিটস ও এ্যাডসেন্স দুইটায় লক্ষ্যপূর্ণ বা কাঙ্খিত ভিজিটরদের টার্গেটেড বিজ্ঞাপন দেখায়।
২. দুইটাই ইসিপিএম, ক্লিক, ইম্প্রেশন (মাঝেমাঝে), রিভিনিউ ইত্যাদিতে টাকা দেয়।
৩. দুইটাই বিভিন্ন সাইজের মানাসই বিজ্ঞাপন সাইজ সাপোর্ট করে।
৪. ব্যবহার খুবই সহজ।
Revenue Hits ও Google Adsense এর মধ্যে পার্থক্য-
১. এ্যাডসেন্স একাউন্ট পেতে হলে সাইটের বয়স কমপড়্গে ৬ মাস বয়স হতে হবে। কিন’ রিভিনিউহিটস একাউন্ট পেতে মাত্র ৩ মিনিট সময় লাগতে পরে।
২. এ্যাডসেন্স ফেইক ট্রাফিক সাপোর্ট করেনা এবং ফেউক ট্রাফিকের কারনে একাউন্ট ব্যান করে দিতে পারে। কিন’ রিভিনিউহিটস ফেইকট্রাফিকেউ অনেক সময় পে করে থাকে।
৩. এ্যাডসেন্স ব্যবহারে অনেক বাধ্যবাধকতা আছে কিন’ রিভিনিউহিটসে কোন বাধ্যকতা নাই।
৪. এ্যাডসেন্স কপিরাইট সাইট সাপোর্ট করেনা। রিভিনিউহিটস কপিরাইটে প্রবলেম করেনা।
৫. এ্যাডসেন্সে পিন ও এড্রেস ভেরিফিকেসন করতে হয় কিন’ রিভিনিউহিটসে কোন ভেরিফিকেসনের ঝামেলা নাই।
৬. এ্যডসেন্সের সাথে পপ এ্যাডস বা অন্য কোন এ্যাডস ব্যবহার করা যায়না। রিভিনিউহিটসে তেমন কোন সমস্যা নাই।
৭. এ্যাডসেন্স পেপাল বা পেওনিয়র সাপোর্ট করেনা। শুধুমাত্র ব্যাংক চেক এর মাধ্যমে পে করে থাকে। কিন’ রিভিনিউহিটস পেপাল, পেওনিয়র, ব্যাংক সাপোর্ট করে।
৮. এ্যাডসেন্স ১০০ ডলার হলে টাকা দিয়ে থাকে কিন’ রিভিনিউহিটস মাত্র ২০ ডলার হলে টাকা দেয়।
৯. রিভিনিউহিটস কোষ্ট পার একশান হিসেবে টাকা পে করে। যদিও রিভিনিউহিটস ইম্প্রেশন বা ক্লিকে টাকা দেয়না এখানে একটা প্রশ্ন থাকতে পারে যে খুব কম ভিজিটরই কোষ্ট একশান শর্ত পূরন করেন। তাহলে আর্ন হবে কি করে ? বিষয়টা হচ্ছে এমন যে অনেক ধরনের এ্যাডস আছে যেগুলা শুধু ভিজিট বা ইম্প্রেশন রিকুয়ার্ড। তবে যেইসকল বিজ্ঞাপনদাতা দের শর্ত বেশি তাদের শর্ত পূরন হলে ইনকামও বেশি। এ্যাডসেন্স এর বিষয়টা ঠিক ভালো ভাবে যানা নাই।
এখন আপনি নিজেই ভেবে দেখুন কোনটা ভাল ?
কিভাবে রিভিনিউহিটস এ্যকাউন্ট করবেন বা ব্যবহার করবেন ?
প্রথমে এই লিঙ্কে যান। তারপর “Join Now” বাটনে ক্লিক করুন। একটি ফর্ম আসবে তাতে ফাস্ট নেম, লাস্ট নেম, সাইট নেম, সাইট ইউআরেল, সাইট ট্রাফিক (WEB), এবং সাইট ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে “Next Step” বাটনে ক্লিক করুন। এবার দ্বিতীয় ধাপে ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, ইমেইল, মোবাইল নম্বর কান্ট্রিকোড সহ, সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর এবং টার্মস এনড কন্ডিশনের বক্স টিক দিয়ে “Submit” বাটনে ক্লিক করে ইমেইল ভেরিফিকেশন করুন। আপনার এ্যাকাউন্ট রেডি। আপনার একাউন্টের ড্যাসবোর্ড এ “New Placement” এ ক্লিক করে এ্যাডস সেটআপ করুন এবং আপনার সাইটে যুক্ত করুন।
শেষ কথা:
এ্যাডসেন্স তো এ্যাডসেন্সই। এর কোন বিকল্প হবেনা। তবে আমি মনে করি যারা ডাউনলোডিং সাইট এর জন্য বিজ্ঞাপন সাইট খুজছেন অথবা এ্যাডসেন্স পাচ্ছেন না তাদের জন্য গুগল এ্যাডসেন্স এর সেরা বিকল্প রিভিনিউহিটস। নিজেই ব্যবহার করে দেখুন তাহলেই বুঝবেন। জানিনা পোষ্টটি কেমন হয়েছে, কতটুকু বুঝাতে পেরেছি বা কতটুকু ভুল করেছি কিন্তু’ অনেক চেষ্টা করেছি সব কিছু গুছিয়ে লিখতে। এটি আমার প্রথম পোষ্ট। ভুল হতেই পারেভ যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা করবেন এবংমন্তব্যে ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন। সবাই কে ধন্যবাদ এতক্ষন ধরে পোস্টটি পড়ার জন্য।
PaidVerts PTC অনলাইনে এড থেকে আয় !!!!
PaidVerts PTC জগতের নতুন এক সদস্য। এটি ২০১৪ সালের ৩১শে মার্চ তাদের যাত্রা শুরু করে।এটির আয়ের সিস্টেম অন্যান্য পিটিসি সাইট এর থেকে একটু আলাদা। আর এটিকে শুধু পিটিসি বললেও ভুল হবে। কারন এটি পিটিসি এবং রিভেনু শেয়ার মিলিয়ে একটি হাইব্রিড প্রোগ্রাম। বর্তমানে পিটিসি জগতে এটি ১ নাম্বার এ অবস্থান করছে। আর সব থেকে বড় সুবিদা হল এটি মোবাইল ফোন সাপোর্ট করে। মানে আপনি নির্দ্বিধায় মোবাইল দিয়ে কাজ করতে পারবেন।
রেজিষ্ট্টেশন করতে নিচে ক্লিক করুন,
এটা trafficmonsoon এর মত অনেকটা।
রেজিষ্ট্টেশন করতে নিচে ক্লিক করুন,
তারপর create account এ click করুন
Registration এর জন্য আপনাকে প্রথমে username দিতে হবে তারপর email,password তারপর password টি confirm করতে হবে তারপর mail দিতে হবে এবং সব শেসে date of birth দিতে হবে date of birth মনে রাখবেন কারন টাকা তুলার সময় এটার প্রয়োজন হবে তারপর I confirm that I was referred by ratulrar এখানে টিক চিন্ন দিয়ে open account এ click করুন।
তারপর আপনার email এ একটি link পাটাতে পারে অনেক সময় এরা email এ link পাটায় না যদি এরকম পেজ দেখতে পান তাহলে আর আপনার email vrifi করা লাগবেনা।
আচ্ছা account তো করলেন এখন আপনার কাজ কি কিবাবে আপনারা টাকা ইনকাম করবেন?
টাকা ইনকাম করার জন্য আপনাদের view paid ads এ click করতে হবে।
টাকা ইনকাম করার জন্য আপনাদের view paid ads এ click করতে হবে।
আপনাদের প্রথম কাজ হল BAP বাড়ানো আপনরা যত বেশি BAP তাকবে আপনি ততো বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এখন কিবাবে আপনি BAP বারাবেন? প্রথম কয়েক দিন অরা আপনাকে ১৬ টি ad এ ৪০০ BAP দিবে BAP গুলু পাওয়ার জন্য আপনাদের view activation ad এ click করতে হবে ।
তারপর এরকম একটি পেজ আসবে,
এখন আপনারা সব ক্রচ চিহ্নের উপর click করুন। click করলে ক্রচ চিহ্ন গুলু টিক চিন্ন হয়ে যাবে। তারপর proceed to advertisers website এ click করুন। তারপর এরকম একটি পেজ আসবে।
তারপর এরকম একটি পেজ আসবে,
এখন আপনারা সব ক্রচ চিহ্নের উপর click করুন। click করলে ক্রচ চিহ্ন গুলু টিক চিন্ন হয়ে যাবে। তারপর proceed to advertisers website এ click করুন। তারপর এরকম একটি পেজ আসবে।
এই পেজ এ আপনাকে একটি captcha দেয়া হবে captcha টি পুরন করে confirm এ click করলে আপনি ২৫ BAP পেয়ে জাবেন।
এরকম করে সব ad গুলা click করুন।
এরকম করে সব ad গুলা click করুন।
সব BAP ad click করা হয়ে গেলে আপনাকে ডলার ad এর জন্য request করতে হবে। request করার জন্য আপনাকে request micro ad pack এ click করতে হবে.
তারপর আপনাকে ১২ টি ad এ $০.০১ ডলার দিবে। আর ৫০ BAP কেটে নিবে।আপনারা BAP গুলা যেভাবে click করেছেন টিক একই ভাবে এ ad গুলুও click করুন। প্রথম কয়েক দিন আপনারা ৬ বার ad এর জন্য request করতে পারবেন। ৬ বার request করলে আপনার হয়ে জাবে $০.০৬ ডলার তার পর তেকে শুধু ১ বার করতে পারবেন। মিনিমাম payout $2 in payza ।
পরবর্তীতে আরও Advance লেভেল এর কাজ দেখাব ইনশাল্লাহ। ভাল থাকবেন সবাই।
Traffic Monsoon-এর ফুল টিউটোরিয়াল (একাউন্ট ভেরিফাই সহ) ২য় পর্ব
আজ আপনাদের দেখাব এড কিভাবে দেখবেন ও টাকা কিভহাবে তুলবেন টা দেখানো হবে
১.সব এড সময় মতো দেখাঃ একাউন্ট তৈরি করার পর আপনার কাজ হল পতিদিন নিয়মিত এডগুলো দেখা। এড দেখতে একাউন্টে লগিং করুন।
২. লগিং করার পর সামান্য নিচে এই লিখা এর বাটনটি দেখতে পাবেন। এবার “Click Here to Go to Cash Links” বাটনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর CashLink দেখাবে যেগুলো আপনাকে প্রতিদিন দেখতে হবে।
এবার যে কোনো একটি এডের “Claim” এ ক্লিক করুন। Claim-এ ক্রিক করার পর এই এডটি অপেন হবে।
৩.নির্ধারিত সময় অপেক্ষা করার পর একটি কেপচা আসবে।
কেপচাটি পাশের বক্সে দিয়ে “Credit Click!” বাটনে ক্লিক করুন। এবার “Back to account”এ ক্লিক করে আবার Cash Link এর পেইজে চলে আসুন। এই সাইটের এড বেলু 0.001, 0.005, 0.01 ও 0.02 হয় প্রতিদিন এই সাইটে 25-30 টি এড দেয়। প্রতিদিন নিয়মিত এডগুলো দেখুন।
৪.এড দেখার নিয়মঃ সাইটে লগিন করার পর আপনি কিছু এড পাবেন আপনাকে শুদু “Claim” ক্লিক করতে হবে। “Claim” এ ক্লিক করলে একটি নতুন সাইট আসবে উপরে trafficmonsoon এর বডার তাকবে। বডারের ভিতরেই আপনার কাজ। দেখবেন একটি Loading process আসেব Loading process শেষ হয়ে একটি কেপচা আসবে পাশে একটি খালি বক্স আসবে এখানি শুধু আপনাকে কেপচাটা দিয়ে “Credit click” এ ক্লিক করতে হবে। তাপর “Back to account” এ ক্লিক করে আবার আপনার একউন্টে চয়ে আসুন। একবার পরবর্তী এডটা দেখেন এই ভাবে সব এডগুলো নিয়মিত দেখেতে হবে।
৫. রেফারেলঃএই সাইটের সবচেয়ে ভাল দিক হচ্ছে ১০০% রেফারেল কমিশন। আপনি যেভাবে ১০-২০ সেন্ট প্র্রতিদিন পাবেন টিক একই ভাবে আপনার রেফারেল যদি নিয়মিত কাজ করে তাহলে আপনার রেফারেল থেকে আপনি আরও ১০-২০ পাবেন প্রতিদিন। তাহলে আপনার যদি ১ জন রেফারেল থাকে তাহলে আপনি প্রতিদিন আয় করতে পারবেন ১০ + ১০ = ২০ সেন্ট। এখন আপনি যত বেশি রেফারেল করতে পারবেন আপনি তত বেশি আয় করতে পারবেন এখন আপনি যদি প্রথম দিনই ২০ জন রেফারের বানাতে পারেন তাহলে আপনার প্রতিদিন আয় হবে, যদি ১০ সেন্টের এড দেয় তাহলে, ১০ × ২০ = ২ ডলার + আপনার আয় ১০ সেন্ট মোট ২ডলার ১০ সেন্ট এখন আপনি এইভাবে যত বেশি রেফারেল করতে পারবেন আপনার আয় তত বেশি হবে।
৬. ১০টি surf এড নিয়মিত দেখাঃ আপনি যখন রেফারেল বানাবেন যদি আপনি এই এডগুলো না দেখেন তাহলে আপনার একাউন্টে আপনার রেফারেলের আয় আসবে না। লগিং করার পর সামান্য নিচে “Start Surfing” বাটনে ক্লিক একটি এড দেখে “Next“-এ ক্লিক করলে আরও একটি এড অপেন হবে এভাব মোট ১০টি এড দেখে “Back to Account” বাটনে ক্লিক করে আপনার একাউন্টে চলে আসুন এখন দেখতে পাবেন “Start Surfing” এরনিচে একটি টাইম শুরু হয়েছে ২৪ ঘন্টার। এই ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার যত রেফারেল যতটি ক্লিক করবে আপনি সবক্লিকের ১০০% কমিশন পাবেন। তাই এই ১০টি এড দেখা খুব প্রয়োজন।
৭. ডলার কেস আউট করাঃ আপনার একাউন্টে যখন ২ ডলারের বেশ হবে তখন আপনি সাথে সাথে কেস আউট করতে পারবেন। এই সাইট কেস আউট করার সাথে সাথে ডলার একাউন্টে টান্সফার করে দেয়। [যদি আপনার পেইজা, পেপাল এগুলোতে একাউন্ট না থাকে তাহলে আমার সাথে যোগযোগ করুন] কাজে যে কোনে সমস্যা সম্পর্কে জানতে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
কোন সমস্যা হলে
Facebook: Misbahur Rahman Tsu: Misbahur RahmanFacebook page: Traffic Monsoon BDSkype: MisbahurBDMobile: 01853644982
Whatsapp: 01853644982
Viber: 01853644982
Skype is all time available!
আবারও বলতেছি এই সাইটে বেশি বেশি আয় করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই রেফারেল বারাতে হবে।যে কোনো সমস্যা হলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আমার ব্লগে যোগাযোগ করতে পারেন।
Traffic Monsoon-এর ফুল টিউটোরিয়াল (একাউন্ট ভেরিফাই সহ)
How to make money online with Traffic Monsoon
সবাই কেমন আছেন আসা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আমি যে সাইটটির কথা আলোচনা করব তা হলো “Traffic monsoon“ এই সাইট থেকে আপনি যত খুশি ডলার আয় করতে পারেন এর জন্য আপনাকে কোনো নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হবে না ।
কাজের ধাপঃ
- সঠিকভাবে একাউন্ট তৈরি করা।
- একাউন্ট একটিব করা।
- একাউন্ট ভোটার কার্ডের মাধ্যমে ভেরিফাই করা।
- সব এড সময় মতো দেখা।
- রেফারেল বানানো।
- ১০টি surf এড নিয়মিত দেখা।
- ডলার কেস আউট করা।
এই সাইটে কাজ করতে আপনার যা যা প্রয়োজন হবেঃ
- একটি কম্পিউটার অথবা লেপটব।
- ইন্টারনেট কানেকশন। (WiFi – Brodbend line not allowed)
- একটি ইমেইল একাউন্ট।
- একটি ভোটার কার্ডের স্কেন কপি।
- পেইজা অথবা পেপালের একটি একাউন্ট।
1. সঠিকভাবে একাউন্ট তৈরি করাঃ প্রথমে আপনাকে সাইটটিতে রেজিস্টার করতে হবে। রেজিস্টোর করতে প্রথমে আনার ব্রাউজারের হিসট্রি ক্লিন করুন টারপর Trafficmonsoon-এই লিংখে ক্লিক করুন। আমার রেফারেল লিংখঃ https://trafficmonsoon.com/signup?ref=tmextraএবার সাইটের হোম পেইজটি আসবে এখান থেকে Create Account/Signup-এ ক্লিক করে নিচের তথ্যগলো সঠিক ভাবে দিয়ে আপনার একাউন্টটি তৈরি করুন।
- Your Enrollees Name : tmextra (অবশ্যই এটা Trafficmonsoon থেকে tmextra দিবেন)
- First Name : or Last Name : (এখানে আপনার নাম দিন) [অবশ্যই নাম ভোটার আইডি কাডের যা আছে তা দিতে হবে]
- Date of Birth (MM/DD/YYYY) : (আপনার জন্ম তারিখ দিন) [অবশ্যই জন্ম তারিখ ভোটার আইডি কাডের যা আছে তা দিতে হবে]
- Email Address : (এখানে আপনার ইমেইল একাউন্টটি দিন। এইএকাউন্টেআপনারএকাউন্টেরসকলতথ্যদেওযাহবে)
- Retype E-mail: (একই ইমেইল একাউন্ট আবার দিন।)
- আইডি কার্ডের তথ্য অনুযায়ী ঠিকানা দিন।
- Enter Username: (এখানে একটি ইউজার নেইম নির্বাচন করুন। এরমধ্যেকোনোস্পেইসহবেনা)
- Setup a Withdraw Code: or Retype Code: (এখানে চার ডিজিটের বেশি একটি পিন নম্বার দিন। ডলারকেসআউটকরারসময়এইপিনদিতেহবে)
- Define Password (Letters and Numbers): or Retype Password: ( এখানে আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড দিন। )
- Payment Information: (এখানে যদি আপনার এতিমধ্যে পেইজা অথবা সলিটসার্স্টে একাউন্ট থাকে তাহলে দিয়ে দিন। আর কোনটাতে একনউন্ট না থাকলে আপনার একাউন্টের ইমেল তিনটিতেই দিয়ে দিন।
- Security Question-এ আপনাকে তিনটি প্রশ্ন দেওয়া হবে। এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিন এবং উত্তর গুলো কোনো জায়গায় লিখে রাখুন। কারণ আপনার IP পরিবর্তন হলেই এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে। না হলে একাউন্টে লঙিং করতে পারবেন না।
- এবার I understand and fully agree to TrafficMonsoon Terms and Conditions Including that any purchase of service is non-refundable. মার্ক করে কেপচা পূরণ করে “Proceed”এ ক্লিক করুন ।
এবার “I understand and fully agree to Traffic Monsoon Terms and Conditions Including that any purchase of service is non-refundable” মার্ক করে কেপচা পূরণ করে “Proceed” এ ক্লিক করুন । এবার আপনাকে আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে। ভেরিফাই করতে আপনার ইমেইল একাউন্ট চেক করুন। Traffic monsoon থেকে আপনাকে একটি ইমেল দেওয়া হবে। ইমেইলে আপনার একউন্টের তথ্যসহ আপনার একাউন্টের একটি একটিবিশন লিংক দেওয়া হবে। লিংকটিতে ক্লিক করে আপনার একাউন্টে পাসওয়ার্ড দিয়ে “Active!” এ ক্লিক করে আপনার একাউন্ট একটিব করুন। “Active” এ ক্লিক করার পর অটোমেটিক আপনার একাউন্টে লগিন হবে। এবার আপনাকে আপনার একাউন্ট ভোটার েID Card দিয়ে ভেরিফাই কারতে হবে।
এবার Account Status: Not Verified এ ক্লিক করুন। এবার আইডি কার্ড আপলোড করার পেইজ আসবে। এখানে First name and Last নেইম কার্ডের সাথে মিল আছে কিনা দেখে কার্ড আপলোড করুন।কার্ড সাবমিট করার পর কার্ড চেক করে একাউন্ট ভেরিফাই করা হয়। এজন্য অনেক বেশি টাইম নেয়। একাউন্ট তারাতারি ভেরিফাই করার জন্য Support e গিয়ে তাদের সাথে লাইভ চার্ট করতে পারেন। ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে একাউন্ট ভেরিফাই হয়ে যাবে।
পরবর্তী পোস্টে এড কিভাবে দেখবেন ও টাকা কিভহাবে তুলবেন টা দেখানো হবে ।
Tuesday, May 3, 2016
অনলাইনে কি কি কাজ আছে ও কি কি কাজ শুরুতে শিখবেন??
২টি পর্বে অনলাইনে কি কি কাজ আছে ও কি কি কাজ শুরুতে শিখবেন সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
প্রথম পর্বঃ
অনলাইনে আয় করার জন্য রয়েছে নানা উপায়। তার মধ্যে সেরা উপায় হল ফ্রীলাঞ্চিং করা। তবে ফ্রীলাঞ্চিং ,কিন্ত কোন কাজের নাম না। এটা কাজের একটা সিস্টেম , বা কাজ করার পদ্ধতি। সহজ কথায় বলতে গেলে, ফ্রীলাঞ্চিং হল স্বাধীন কাজের পেশা। এখানে পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে কাজ দাতা এবং কাজ গ্রহিতা থাকে। কাজ দাতারা কাজ দেয় এবং কাজ গ্রহিতারা কাজ নিয়ে করে। কাজ শেষ হলে ঐ কাজ দাতা টাকা পরিশোধ করে করে দেয়। এভাবেই চলে ফ্রীলাঞ্চি প্রসেস। আর এই কাজ দাতাদের পাওয়া যায় বিভিন্ন ফ্রীলাঞ্চিং সাইটে যেমনঃ ওডেস্ক, ফ্রীলাঞ্চার, আপওরক , পিপলপারআউয়ার, গুরু ইত্যাদি হাজার ওয়েবসাইট আসে। এই সকল সাইটে কাজ করতে হলে আপনাদের কাজ গ্রহীতা হিসাবে ,মানে একজন ওয়ার্কার হিসাবে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। তারপর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কাজের জন্য আবেদন করতে হবে। এখানে রয়েছে নানা ধরনের কাজ। চলুন দেখে নেই কি কি ক্যাটেগরিতে কাজ রয়েছে উপরের ফ্রীলাঞ্চিং মার্কেটপ্লেস গুলাতে।
Ø ডাটা এন্ট্রি- (যেমনঃ আটিকেল রাইটিং, ভাষা অনুবাদ, ওয়েবসাইটের ডাটা সংগ্রহ ইত্যাদি।)
Ø এসইও- এটা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন । (প্রচুর কাজ আসে এই এসইও এর)
Ø ওয়েব ডেভেলপমেন্ট- ওয়েবসাইট বানানো। ( কাজ আছে,কিন্তু আক্তু জটিল)
Ø মার্কেটিং ( এফিলিয়েট, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি)
Ø ডিজাইন- ( গ্রাফিক্স ডিজাইন, লোগো ডিজাইন ইত্যাদি)
Ø এডিটিং - ( ভিডিও এডিটিং, এনিমেশন, 3D, 2D ইত্যাদি)
Ø এড পোস্টিং- ( ক্রাগলিস্ট সহ বিভিন্ন সাইটে বিজ্ঞাপনের কাজ)
ঊপরে মুলত ফ্রীলাঞ্চিং মার্কেটপ্লেসের মেজর বা প্রধান অংশ সমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে । এছাড়া আর কিছু টুকিটাকি অনেক কাজ থাকে ফ্রীলাঞ্চিং মার্কেটপ্লেসে।
ডাটা এন্ট্রিঃ
উপরের আলোচিত কাজ গুলার মধ্যে সবথেকে সোজা হল ডাটা এন্ট্রি এর কাজ।নতুন অবস্থায় আপনি এটি করতে পারেন কিন্তু এতে রয়েছে অনেক সমস্যা। যেমনঃ এটার কাজ সহজ বিধায় আপনার আর আমার মত যারা সহজেই আয় করতে চায় তারা সবাই ডাটা এন্ট্রি করতে যায়। ফলে দেখা গেছে এই সেক্টরে কম্পিটিশন অনেক অনেক বেসি।ফলে নতুন অবস্থায় কাজ পাওয়া অনেক কঠিন হয়ে দারায়।আবার এই সেক্টরে পুরাতনরা তো আছেই। তাই নতুন অবস্থায় আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১৫-২০% । তাই আমার মতে নতুন অবস্তায় আই সেক্টরে হাত না দেয়াই ভাল। করবেন না কিন্তু বলসি না, অবশ্যই ট্রয় করবেন কিন্তু কাজ না পেলে হতাশ হউয়ার কিছুই নেই।
চলেন দেখে নেই ডাটা এন্ট্রি সেক্টরে কেমন কাজ পাওয়া যায়........
বেশ ভাল কাজ আছে দেখুন, আমি লাল কালি দিয়ে মার্ক করে দিয়েছি।
এবার দেখি একটি কাজ করার জন্য কতো জন আবেদন( বিড) করেছে এবং কাজ টি পেতে গেলে আপনার কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে?
কাজেই এখন বুজতেছেন , নতুন অবস্থায় আপনার কোন কাজের অভিজ্ঞতা থাকবে না, তাই এই ধরনের কাজ পাবেন না বললেই চলে।
এসইওঃ
ফ্রীলাঞ্চিং মার্কেটপ্লেসের এক অতি বিশাল অংশ জুরে আছে এসইও । এর প্রায় ১২-১৫ হাজার কাজ ( আপওয়ার্ক+ফ্রীলাঞ্চার+সব মার্কেটপ্লেস) এ সবসময় থাকে।
আর এটা সব থেকে সহজ (যদি কাজ জানেন) ও মানসম্মত কাজ। প্রায় ১৫-২০ দিন লাগতে পারে কোন ওয়েবসাইটের ফুল এসইও করতে। নতুনদের জন্য উপযোগী অনেক কাজ পাবেন এই ক্যাটাগরিতে। আপনারা মার্কেটপ্লেস গুলা ভিসিত করে নিজেরাও দেখবেন আসলেই কাজ আছে কিনা।
চলেন দেখে নেই এসইও সেক্টরে কেমন কাজ পাওয়া যায় (শুধু আপওয়ার্কের টা দেখাচ্ছি).......
এবার দেখি একটি কাজ করার জন্য কতো জন আবেদন( বিড) করেছে এবং কাজ টি পেতে গেলে আপনার কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে?
দেখেন মাত্র ৫ জন অ্যাপ্লাই করেছে। তো বুজতেসেন কাজ পাওয়া সহজ হবে এসইও সেক্টরে।
পরের পর্বে বাকি ক্যাটাগরি গুলা নিয়ে আলোচনা হবে ইনশাল্লাহ। সবাই ভাল থাকবেন।

















