Earn money from online is called outsourcing. Best quality online Bangla earning guideline to become a successful freelancer. SEO, Word press, HTML also discuss here.

Saturday, April 30, 2016

জিজ্ঞাসা ও উত্তর***

অনলাইনে কি সত্যিই আয় করা করতে পারব?

সরাসরি উত্তর, হ্যাঁ অবশ্যই।অনেকেই এখন ভাবছেন এইসব আজাইরা কথা সবাই বলে, সবই ভুয়া। অনেকে হাসতেসেন...... হাসতে থাকেন। হাসারই কথা, কারন আমরা বাঙ্গালিরা কাজ না শিখে টাকা কামাইতে চাই। আর সেই জন্যই সব জায়গায় যেয়ে ধরা খাই।  কিন্তু আমরা যদি সঠিক ভাবে কাজ শিখি তাহলে কিন্তু আমাদের আয় করা আর কেও ঠেকাতে পারবে না।

সুতরাং প্রথমে আপনাকে সঠিক ভাবে কাজ শিখতে হবে,সাথে সাথে থাকতে হবে কঠিন পরিশ্রম ও সাধনা।

কোনরূপ অবাস্তব চিন্তা করা যাবে না। যেমন ধরুন, ক্লিক করলেই ডলার দিবে, ক্যাপচা পুরন ইত্যাদি। আপনিই বলুন, শুধু ক্লিক করলেই যদি টাকা দিত তাহলে পৃথিবীতে কেও বেকার থাকতো?????

 আর আপনি সাইট খুলছেন টাকা আয় করার জন্য , টাকা দিতে নয়। তবে সাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে আয় করা যায়, গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে। সে সব ব্যাপার আস্তে আস্তে আপনাদের সামনে করে,বাস্তবে দেখাব।

কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে অনলাইনে কাজ করার জন্য???


অনলাইনে কাজ করার জন্য আপনার প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট থাকা লাগবে না, ইংরিজিতে কাজ করার যোগ্যতা ও যেই কাজ করতে চান তার উপরে ফুলক্লিয়ার ধারনা থাকা লাগবে, তাহলেই হবে। মূল কথা ইংরেজিতে লিখতে, পড়তে ও ক্লাইনট এর সাথে কথা বলা ও তার কথা বুজতে পারার মত দক্ষতা থাকলেই হবে।


কাজ পাবেন কোথায়????


অনলাইনে কাজ পাওয়ার অনেক উপায় ও জায়গা আসে। যেগুলাকে ফ্রীলাঞ্চিং এর ভাষায় মার্কেট Place বলেসারা পৃথিবীতে অসংখ্য মার্কেট Place আছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, Up work, Freelancer, Peopleperhour, Fiver, Seoclark এবং বাংলাদেশী সাইট Belancerআর এই মার্কেট Place এ সাধারনত ফ্রীলাঞ্চাররা কাজ করে। সতরাং আমাদের ফ্রীলাঞ্চিং করাটা সবথেকে ভাল ও সহজ কাজ হবে।


তো কি ঠিক করলেন?? কাজ শিখে কাজ করবেন?? নাকি হতাস হয়ে বসে থাকবেন??



পরবর্তী  পোস্টে অনলাইনে কাজের প্রকার ও আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। :D






  
















Freelancers training course

Share:

Friday, April 29, 2016

বাড়ি থেকে অনলাইনে কাজ করে ইনকাম করার বেস্ট রিসোর্স!

‘প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু’ একটি ১০০% ফ্রি প্রকৃত স্টেপ বাই স্টেপ অ্যাফিলিয়েট/ইন্টারনেট মার্কেটিং ভিডিও টিউটোরিয়াল।

বর্তমানে বিশ্বব্যাপি ইন্টারনেট কেন্দ্রিক কাজ, ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোরসিং কিংবা অ্যাফিলিয়েট/অনলাইন মার্কেটিং এর ক্রেজ চলছে। সরকারী-বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক, এমনকি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশব্যাপি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কাজের এই ক্ষেত্রটাকে সবার এত গুরুত্ব দেয়ার একটাই কারন- অধিক আয় আর উন্নত বিশ্বে কাজের সুযোগ, নিজের দেশে এমনি নিজের বাড়ীতে থেকেই।

Earn money online by Freelancing




কিন্তু আমাদের সবার জন্য গুনগত ও উন্নত মানের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সমান সুযোগ না থাকায়, আমরা এই কাজের ক্ষেত্রে এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছি। এই ওপার সম্ভবনাময় ক্ষেত্রটাকে কাজে লাগিয়ে বেকারত্ব দূরীকরণ ও দেশকে বিলিয়ন ডলার এর রেভিনিউ এনে দেয়ার জন্য উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কোন বিকল্প নাই।

আমার এই টিউনের উদ্দেশ্য হল আপনাদেরকে একটি যুগোপযোগী ভিডিও প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া। বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী ব্যাপক সাড়াজাগানো এই প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামটির নাম 'প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু'। অনলাইনে ফুল টাইম অথবা (যদি চাকুরীজীবী বা ছাত্র) হন তাহলে পার্টটাইম কাজ করে বাড়তি আয়ের উৎস তৈরি করার জন্য এই কোর্সটি আপনার জন্য এক কথায় অসাধারন হবে। আর হ্যাঁ, এই কোর্সটি একেবারেই ফ্রি। নিচে এই প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

কি এই প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু?

প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু একটি কমপ্রিহেন্সিভ ১০০% ফ্রি ভিডিও ট্রেইনিং কোর্স যা থেকে আপনি সেলস বেজড ইন্টারনেট মার্কেটিং সম্পর্কে শিখতে পারবেন। ইন্টারনেটে নিজের কিংবা ক্লাইন্ট এর প্রোডাক্ট সেল করা অথবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অন্যের প্রোডাক্ট সেল করে কমিশন আয় করা শিখবেন, যা তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ।

প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু থেকে আপনি কি কি শিখতে পারবেন?

  • এটি সম্পূর্ণ স্টেপ-বাই-স্টেপ ইন্টারনেট মার্কেটিং ভিডিও প্রশিক্ষণ, যেখানে রয়েছে ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের এ টু জেড
  • কিভাবে একটা সফল ইন্টারনেট কেন্দ্রিক বিজনেস তৈরি করবেন
  • মাইন্ডসেট
  • প্রোডাক্ট সিলেক্ট করা আর প্রয়োজনীয় টুলস সিলেক্ট করা
  • স্ট্রেটেজিক ক্যামপেইং প্রস্তুত করা
  • কাস্টম ল্যান্ডিং পেজ (অপ্টিন পেজ) এবং মার্কেটিং ফানেল তৈরি করা
  • মার্কেটিং-এ সবচেয়ে স্ট্রেটেজিক/কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া
  • একটা কাস্টম ডোমেইন খুঁজে বের করা এবং সেটাকে ফানেল আর অটোরেস্পন্ডার এর সাথে যুক্ত করা
  • অ্যাফিলিয়েট লিংক রেডি করা
  • কাস্টম ফানেলকে অ্যাফিলিয়েট অফার এর সাথে যুক্ত করা
  • আপনার প্রথম অটোরেস্পন্ডার ক্যামপেইং সেট করা
  • আপনার বিজনেস লঞ্চ করার পূর্বে ‘প্রি-ফ্লাইট’ চেকআপ করা
  • আপনার ক্যামপেইং ট্রাফিক ড্রাইভ করা আবং কমিশন আয় করা শুরু করা
  • সর্বোপরি, ইন্টারনেটে টাকা আয় করার জন্য আপনার যে যে দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে সবগুলোই স্টেপ বাই স্টেপ এই ভিডিও প্রশিক্ষণে আলোচনা করা হয়েছে...

কেন এই প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু (তাদের ভাষায়)?

ভিক এবং হাই ট্র্যাফিক অ্যাকাডেমি কত্রিক পরিচালিত প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রুর উদ্দেশ্য হল আপনাকে আপনার বিজনেস এর নেক্সট লেভেল-এ নিয়ে যাওয়া। ইন্টারনেট মার্কেটিংএ একেবারে নতুন এবং অভিজ্ঞ উভয়েই প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু থেক শিখতে পারবে।
প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু লক্ষ্য (তাদের ভাষায়)
  • আপনাকে আপনার প্রথম কমিশন আয় করতে সহযোগিতা করা
  • কিভাবে এই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে বারবার আয় করা যায় তা শিখান
  • ...এবং কিভাবে আপনার ইন্টারনেট বিজনেসকে স্কেল করা যায়, বিজনেস এর লক্ষ্য বাস্তবায়িত করা যায় এবং আপনার বিজনেসকে আরও বাড়ানো যায় তা শিখানো
প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু ভিডিও ট্রেইনিং কোর্সটি ধারাবাহিকভাবে পর পর ১৪ দিনে আপনি শেষ করতে পারবেন এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। আপনাকে যা যা করতে হবে এবং যেভাবে করতে হবে তা আপনি ঠিক ভিক এর পিছনে বসে তাকে তার ল্যাপটপে করতে দেখে শিখবেন।
যখন আপনার একটি ভিডিও দেখা শেষ হবে, তখন পরের দিন পরবর্তী ভিডিওটি দেখার জন্য উন্মুক্ত হবে।
প্রতিদিনই আপনি পাবেন-
  • স্পেসিফিক ক্লিয়ার আউটকাম
  • ঐ দিনের জন্য স্পেসিফিক ট্রেইনিং
  • পরের দিনের জন্য নির্দিষ্ট অ্যাসাইন্মেন্ট

কারা আছে এই প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রুর পিছনে?

ইন্টারনেট মার্কেটিং বিশেষ করে আউটবাউন্ড মার্কেটিংএ বিশ্বের অনেক পরিচিত একটা নাম ভিক এবং তার প্রতিষ্ঠিত হাই ট্র্যাফিক অ্যাকাডেমির একটি উদ্যোগ এই প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু। ভিক পৃথিবীর শীর্ষ মার্কেটারদের মধ্যে একজন। ভিক এর সাথে তার ব্যবসায়িক পার্টনার জেসন ম্যাকক্লেইন এই ট্রেইনিং প্রোগ্রামটিতে সহ-মেন্টর হিসেবে আছে, যার ইন্টারনেট বিজনেস বিশ্বে দীর্ঘ ২২ বছর এর এক্সপেরিয়েন্স আছে।
অভিজ্ঞ ও সফলতম এই দুই মার্কেটারকে মেন্টর হিসেবে পাওয়াটা নিঃসন্দেহে আপনার জন্য অসাধারন এক এক্সপেরিয়েন্স হবে।


প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রুর যে বিষয়গুলো আমি নিষেধ করবো

প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু আপনাকে একসাথে ২৭টা ইনকাম স্ট্রিম বিল্ডআপ করা শিখানোর কথা বলবে। এটা করতে পারলে খারাপ হয়না। তবে আপনি এটা স্টার্ট করতে চাইলে হাই ট্র্যাফিক অ্যাকাডেমির এলিট মেম্বারশিপ কিনতে হবে, সাথে আরও কিছু অ্যাডিসনাল টুলস কিনতে হবে যা অনেক ব্যয়বহুল। তাছাড়া ২৭টা স্ট্রিম থেকে যেভাবে ইনকাম জেনারেট হবে তার মেথডটা হল পিরামিড স্কিমে, যেটা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা এমএলএম টাইপ এর অনেকটা। যা করতে আমি আপনাদের নিষেধ করবো। তাছাড়া এতো টাকা খরচ করে টুলস কিনাও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না, যদি আপনি একেবারেই নতুন হন।
হ্যাঁ তবে মার্কেটিং এর জন্য অতি প্রয়োজনীয় দুই/একটা টুলস আপনি নিতে পারেন, যেগুলো আপনি যেই লেভেল এর মার্কেটার হন না কেন আপনার লাগবেই। যেমন- উদাহরণ হিসেবে ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য় অটোরেস্পন্ডার এর কথা বলা যেতে পারে। উল্লেখিত দুইটা পয়েন্ট বাদ দিলে এই ফ্রি ট্রেইনিং প্রোগ্রামটি এক কথায় অসাধারন। আমাদের কাজই হবে ফ্রিতে ওদের মার্কেটিং কৌশল/মেথডগুলো শিখে নেয়া, যা অ্যাপলাই করে আপনি আপনার ক্লাইন্টের, বা নিজের অথবা অন্যের অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রোমোট করে কমিশন আয় করতে পারবেন। ওদের প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে হবে এমন কোন কথা নেই।

সর্তকবাণী:  আপনি যদি নিচের নিয়ম অনুসরণ না করেন, তাহলে আপনি টেনিং করতে পারবেন না।

১: সাইটে প্রবেশ করার সাথে সাথে ১ মিনিটে মধ্য অ্যাকাউন্ড করতে হবে!
২: সাথে সাথে Email প্রবেশ করে আপনার অ্যাকাউন্ড ভেরিফাই করতে হবে!
৩: অ্যাকাউন্ড করার আগে সাইটে অন্য কোন স্থানে কিক্ল করবেন না!
৪: নিচের লিংক ছাড়া অ্যাকাউন্ড করবেন না (যদি করেন তাহলে তারা মনে করবে আপনার এই সাইট বিষয়ে কোন ধারণা নেই, যার ফলে আপনি টেনিং করতে পারবেন না)



কিভাবে এই কোর্সটি শুরু করবেন?
এই কোর্সটি শুরু করতে আপনাকে শুধু তাদের সাইটে রেজিস্ট্রেশন করলেই হবে। যেটা অতি সহজ। আপনি যদি কেবল ফেসবুকে টিউন করা বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করা জানেন, তাহলে এটা করা আপনার জন্য কঠিন হবে না। তারপরও কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন তা নিচে চিত্র সহকারে দেয়া হল।

চারটি অতি অতি সহজ স্টেপ-এ আপনি রেজিস্ট্রেশন কমপ্লিট করতে পারবেন।

স্টেপ ১ঃ প্রথমে Start Now 100% Free! লিখা বাটনটিতে ক্লিক করুন। (চিত্র নিচে)



টেপ ২ঃ দ্বিতীয় ধাপে আপনাকে নিচের ফর্মে আপনার নামের প্রথম অংশ, নামের শেষ অংশ, আপনার ইমেইল, একটি পাসওয়ার্ড এবং পুনরায় একই পাসওয়ার্ডটি দিয়ে Create My Free Account বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু ইমেইল কনফারমেশান এর আপনার ইমেইলে একটি মেইল পাঠাবে।


স্টেপ ৩ঃ তৃতীয় ধাপে প্রোজেক্ট ব্রেকথ্রু থেকে পাঠানো ইমেইলটা আপনার ইমেইল ইনবক্স থেকে ওপেন করে নিচের ছবিতে লাল দাগ দিয়ে ঘেরা (CLICK HERE TO ACTIVE YOUR ACCOUNT NOW) বাটনটিতে ক্লিক করে আপনার ইমেইলটি কনফার্ম করতে হবে। আপনার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া প্রায় শেষ।


উল্লেখ্য, কোচিং প্রোগ্রামটিতে অ্যাক্সেস পেতে আপনাকে তাদের ইমেইল পাঠানোর ৩০ মিনিট এর মদ্ধেই আপনার ইমেইল অ্যাড্রেসটি কনফার্ম করতে হবে।

স্টেপ ৪ঃ সর্বশেষ এই ধাপে ইমেইল কনফারমেশান লিংকে ক্লিক করার পরে যে পেজ ওপেন হবে, তাতে নিচের লাল দাগ দিয়ে ঘেরা বক্সে বাংলাদেশ  সিলেক্ট আপনার ফোন নাম্বার দিলেই আপনার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শেষ হবে।



বুম! লাইফ চেঞ্জিং অ্যাফিলিয়েট ভিডিও গাইড প্রোগ্রামে আপনাকে স্বাগতম। বিলিয়ন ডলারের ইন্টারনেট/অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং জগতে প্রবেশের জন্য এই প্রোগ্রামটাই যথেষ্ট হবে। আশাকরি আপনার সময় এবং প্রোগ্রাম থেকে শিক্ষাটাকে কাজে লাগাবেন।
আর হ্যাঁ, টিউনটা ভালো লাগলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। আপনার মত তারাও হয়তো এমন কোন প্রোগ্রামই খুঁজছে। ?
ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন.

Source : Techtunes
Share:

Thursday, April 28, 2016

এসো অনলাইনে কাজ করি, নিজের জীবন গড়ি।

নতুনদের জন্য onlineearninginhome24.blogspot.com পক্ষ থেকে থাকছে অনলাইন এ আয় করার গাইড লাইন (একেবাররে ব্যাসিক লেভেল ত্থেকে)

অনলাইন এ আয়ের ইচ্ছা অনেকেরই থাকে,কিন্তু সঠিক গাইডলাইন না থাকা কারনে অনেকেই সফল হতে পারেন নাই,বা ভুল পথে অনেকই চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অথচ আকটু সঠিক দিক নির্দেশনা পেলে আমাদের তরুনরা তাদের নিত্তদিনের কাজও পড়াশুনার ফাকে ফাকে অনলাইন এ  কাজ করে  আয় করতে পারে।
এই জন্য একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনলাইনে এ কি কি বিষয় আছে,সেগুলা নিয়ে সঠিক ও বাস্তব সম্মত আলোচনা করব। যাতে করে আপনি/আপনারা সব বিষয়ে সম্পূর্ণ ধারনা পান। এই পর্ব গুল নতুনদের জন্য মুলত,কিন্তু যারা আগে থেকে কাজ করেন তাদের ও উপকারে আসবে বলে আমার বিশ্বাস।

আর তাই,আমরা কয়েকটা পর্বে গাইড লাইন গুলা শেয়ার করব। আশা করি আপনারা মন দিয়ে টিউন গুলা পরবেন,বুজবেন ও আপনাদের সমস্যা গুলা আমাদের জানাবেন।


বি।দ্রঃ মানুষ ভুলের উরধে  নয়। তাই কোন ভুল হলে সুঁদরিয়ে দিবেন। আপনাদের জন্যই কাজ করসি, আর আপনাদের উৎসাহ চাই।






Share:

Wednesday, April 27, 2016

আউটসোর্সিংয়ের জন্য যা জানা অপরিহার্য ।

আউটসোর্সিংয়ে ভালো করতে ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ দক্ষতা ও কমিটমেন্ট ঠিক রাখতে হবে ফ্রিল্যান্সারদের।
আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি ওডেস্কে প্রথম অ্যাকাউন্ট করি।দক্ষ যোগাযোগই আমাকে আজকের এই সফলতা এনে দিয়েছে।
প্রেম কিংবা ব্যবসা সবখানেই যোগাযোগের দক্ষতা রাখতে হয়। এজন্য কাস্টমারদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় অবশ্যই আগে থেকে ঠিক করতে হবে আমি কোন কথাগুলো বলব। কমিটমেন্ট নষ্ট করা যাবে না। যেদিন কাজ শেষ করা কথা সেদিনই শেষ করতে হবে।
সে কথা বিবেচনায় রেখেই ইংরেজিতে দক্ষতা আনতে হবে।

নতুনদের জন্য পরামর্শ হলো আপনি যখন কোন কাজ পাননি সেই কাজটি কে পেল তার প্রোফাইল দেখেন। তারপর তুলনা করুন তার প্রোফাইলে কি আছে আর আপনার প্রোফাইলে কি নেই। কাজের ক্ষেত্রটা বোঝার চেষ্টা করুন। নির্দিষ্ট একটা বিষয়ে দক্ষতা আনুন। কাজ পেতে সুবিধা হবে।’

ফ্রিল্যান্সিং শুরুর আগে ভালোভাবে কাজটা শিখে নিতে হবে। ঠিক করতে হবে আমি আসলে কি করব। তারপর পছন্দ মতো কাজ শুরু করতে হবে।
Earn Money online
Share:

Tuesday, April 26, 2016

**********অনলাইনে কাজ পাওয়ার কিছু কৌশল**********

১. ইন্টারনেটে আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়া-নেওয়ার ওয়েবসাইট (অনলাইন মার্কেটপ্লেস)। মুক্ত পেশাজীবীরা (ফ্রিল্যান্সার) এসব সাইট থেকে কাজ নিয়ে থাকেন। কিছু কৌশল জানা থাকলে কাজ পাওয়াটা হয় সহজ।

২. কেউ কেউ আছেন, যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই কাজ পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন, যাঁরা ১০০টা আবেদন করেও পান না। এটা অনেকটা নির্ভর করে আপনি কত কম অর্থে (ডলার) কাজটি করে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তার ওপর।



৩. যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না, তাদের কাজে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে ভাড়া করতে হলে বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড হতে হয়।

কোনো একটা কাজ দেওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো। তবে আবেদন করার সময় কাভার লেটারটি এমনভাবে লিখবেন, যেন বায়ার বুঝতে পারে আপনি কাজটির বর্ণনা পড়েছেন এবং তা করতে পারবেন।



.আপনি যত বেশি মার্কেটপ্লেসে থাকবেন, ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা। কারণ, কিছু কিছু কাজ আছে যেগুলো মার্কেটপ্লেসে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে (এক-দুই ঘণ্টার মধ্যে) সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া বা হঠাৎ করে কোন ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে, তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন, যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গেই আপনি তার জবাব দিতে পারেন। তাহলে বায়ার বুঝতে পারবে, আপনি কাজের প্রতি আন্তরিক।



৫. অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দেখবেন, প্রতি মিনিটে নতুন নতুন কাজ দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব কাজে কোনো কনট্রাক্টরের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো।

যেসব কাজে শর্ত দেওয়া রয়েছে, আর সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন, তবে সেসব কাজে আবেদন না করাই ভালো। যেমন Feedback Score: At least 4.00 এবং upwork Hours: At least 100 hour।

যাঁরা ওডেস্কে দু-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি ডলার দাম ধরে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে কাজের জন্য আবেদন করবেন, তার নিচে দেখুন বায়ারের আগের কাজগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন, বায়ার তার আগের কাজগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ দিয়েছিল, তবে বেশি ডলার হারে আবেদন করতে পারেন।


Upwork, Freelancer,Guru,Peopleperhour,fiverr

Share:

আউটসোর্সিং’, ‘ফ্রিল্যান্স’, ‘আয় করুন বৈদেশিক মুদ্রা ঘরে বসেই

শিখিয়া করিও কাজঃ

‘আউটসোর্সিং’, ‘ফ্রিল্যান্স’, ‘আয় করুন বৈদেশিক মুদ্রা ঘরে বসেই’ ইত্যাদি শব্দ বা বাক্যের সঙ্গে এখন অনেকেই পরিচিত। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম। এই বিষয়গুলো নানা সময় নানাভাবে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়ে থাকে। তরুণদের অনেকেই মনে করেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করলেই বুঝি কাঁড়ি কাঁড়ি ডলার আসতে থাকবে। কিন্তু আউটসোর্সিংয়ের কাজে সাফল্যের খবর যেমন জানা যায়, ব্যর্থতার খবর তেমন নয়। প্রকৃতপক্ষে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিংয়ে ব্যর্থতার ঘটনা অনেক বেশি। কাজের ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন ছাড়া অনলাইনে আয় করা সম্ভব নয়। শুরুর আউটসোর্সিং বিষয়টা সম্পর্কে জানতে হবে। লিখেছেন নাসির খান
ফ্রিল্যান্সার।
Earn money online
Freelancers must have to learn work first


ফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশাজীবী এমন একজন যিনি নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে যুক্ত না থেকেই কাজ করেন। একজন ফ্রিল্যান্সার এক বা একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরি বা পড়ালেখার পাশাপাশিও ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অন্যান্য কাজ করতে পারেন।
অনলাইনে আউটসোর্সিংয়ে এখন অনেকেরই আগ্রহ। এ কাজ শুরুর আগে দক্ষ হতে হবে।

কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন তার নিজের বা প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো বাইরের কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয় তখন সেটি আউটসোর্সিং। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাজ আউটসোর্স করা হয়ে থাকে। এই কাজগুলো অপর কোনো প্রতিষ্ঠান করতে পারে অথবা একজন ফ্রিল্যান্সারও কাজটা করে দিতে পারেন। প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো আউটসোর্স করার অনেক ধরনের কারণ রয়েছে, দক্ষ লোককে দিয়ে কাজ করানো, কম মজুরির হার, কম সময়ে কাজ সম্পন্ন করা, সামগ্রিক ব্যয় কমানো, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অন্যান্য কাজে নিয়োগ করাসহ আরও কারণ রয়েছে।
অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট (মার্কেটপ্লেস হিসেবে পরিচিত) যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ পাওয়া যায়। আবার আউটসোর্সিং মানেই সব সময় যে অনলাইনে কাজ করা এমন নয়। ধরা যাক একটি তৈরি পোশাক কারখানায় শার্ট তৈরি করা হয় এবং শার্টের বোতামগুলো এই কারখানায় তৈরি করা হয় না। এগুলো সরবরাহ করা হয় অপর একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। অর্থাৎ তৈরি পোশাক কারখানাটি বোতাম তৈরির আলাদা ব্যবস্থা না রেখে অন্য কারখানা থেকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারে।
অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ পাওয়ার পদ্ধতি
ইন্টারনেটে বেশ কিছু মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ পেশাজীবীরা এখানে নিয়মিত কাজ করছেন। আবার বিষয়ভিত্তিক আলাদা আলাদা মার্কেটপ্লেসও রয়েছে। এই বাজারে কাজগুলোর বর্ণনা থাকে এবং যাঁরা কাজ করতে আগ্রহী তাঁরা কাজটি কত সময়ের মধ্যে এবং কত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে করতে পারবেন তা উল্লেখ করে আবেদন করবেন। এরপর আলোচনার মাধ্যমে যিনি কাজটি করাবেন তিনি কোনো একজনকে নির্বাচন করবেন।
অনলাইন মার্কেটগুলোতে কাজের বর্ণনা সাধারণত ইংরেজিতে দেওয়া থাকে। অর্থাৎ ইংরেজি ভাষা জানেন এবং ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে, পৃথিবীর এমন যে কেউই এই কাজগুলো করার জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু আবেদন করলেই কাজ পাওয়া যাবে এমন না, এটি প্রায় সম্পূর্ণভাব নির্ভর করে দক্ষতার ওপর। দক্ষতা ছাড়া কাজের জন্য আবেদন করা হলে হয়তো কখনো যোগাযোগই করা হবে না।
অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ৫০০-এরও বেশি বিষয়ের কাজ পাওয়া যায়। যে বিষয় নিয়েই কাজ করা হোক না কেন, ইংরেজিতে পারদর্শী হতে হবে। কাজের জন্য আবেদন করা থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া, কাজের বিভিন্ন ধাপে এবং সম্পন্ন করার পর পর্যন্ত কাজদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। যোগাযোগের দুর্বলতা থাকলে কোনো কারণে কাজ পাওয়া গেলেও নিয়মিতভাবে অনলাইনে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
কাজ শেখা ও দক্ষতা অর্জন
‘আলাদাভাবে শেখার প্রয়োজন নেই, কাজ করতে করতে শেখা হবে’—ধারণাটি এ ক্ষেত্রে ভুল। কাজ শুরু করার আগে বিষয়টি সম্পর্কে সর্বোচ্চ দক্ষতা না থাকলেও অবশ্যই কাজটি সম্পন্ন করার মতো জ্ঞান থাকতে হবে। কাজের মাধ্যমে শেখা শুরু করলে প্রায় কখনোই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রকল্প শেষ করা যায় না। নিজের আগ্রহ কোন দিকে রয়েছে, সেটা বুঝতে হবে প্রথমে এবং এরপর সেই বিষয়সংশ্লিষ্ট কাজগুলো খুঁজে বের করতে হবে মার্কেট থেকে। কাজের বর্ণনায় লেখা থেকেও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কী কী বিষয় শেখা প্রয়োজন সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
কাজ শেখার সব থেকে বড় উৎস হলো ইন্টারনেট। সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে খুঁজে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব এবং এখান থেকেই শেখা শুরু করা যেতে পারে। অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রায় সব বিষয় সম্পর্কেই জানা সম্ভব। নিয়মিত চর্চা করা হলে ধীরে ধীরে বিষয়টি সম্পর্কে দক্ষ হয়ে ওঠা সম্ভব। পাশাপাশি শেখার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে বা কোনো কোর্স করার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ পাওয়া শুরু হয়ে যাবে এমন নয়। নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যাওয়া জরুরি। আবার প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেও, পাশাপাশি নিজের আলাদাভাবে শেখার কাজটি চালিয়ে যেতে হয়।

আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করার ফলেই পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। কোনো বিষয়ে পারদর্শিতা না থাকলে কাজ পাওয়া বা উপার্জনের আশা করাটা ভুল। কত কম সময়ের মধ্যে কত বেশি পরিমাণ উপার্জন সম্ভব, এমন লক্ষ্যের পেছনে দৌড়ালে জয়লাভ করা যাবে না। দক্ষতা বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যেতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে কাজ পাওয়ার জন্য অনুসন্ধান করতে হবে।

লেখক: সফটওয়্যার প্রকৌশলী

ফেসবুকে আমি



Share:

Monday, April 25, 2016

*****সফল ফ্রিল্যান্সার ফারহান রিজভীর গল্প******

ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশ জন্য একটি সম্ভাবনাময় পেশা। ফ্রিল্যান্সিং আর ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে যেকেউ তার ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে পারেন।আর ঠিক সে ভাবেই ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির, মাল্টিমিডিয়া এন্ড ক্রিয়েটিভ টেকনোলোজি বিভাগে ছাত্র ফারহান রিজভী ।

Rizbi Hasan bangladesh



মাহবুবর রহমান সুমন: ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশ জন্য একটি সম্ভাবনাময় পেশা। ফ্রিল্যান্সিং আর ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে যেকেউ তার ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে পারেন।আর ঠিক সে ভাবেই ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির, মাল্টিমিডিয়া এন্ড ক্রিয়েটিভ টেকনোলোজি বিভাগে ছাত্র ফারহান রিজভী। বর্তমানে তিনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছেন একটি কোম্পানীর প্রোডাক্ট ডিজাইনার হিসাবে। এছাড়া তিনি কাজ করেন আপওয়ার্ক সহ অন্যকিছু মার্কেটপ্লেসে এবং গ্রাফিক্স টেইনার হিসাবে আছেন একটি ফ্রিল্যান্সিং প্রতিষ্ঠানে।তার এ ফ্রিল্যান্সিং জীবন নিয়ে তিনি কথা বলেছেন মাহবুবর রহমান সুমন এর সাথে।

Share:

ফ্রিল্যান্সিং???

অনলাইনে অনেক ধরনের কাজ পাওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে যে আমাদের কেবল ওয়েবসাইট ডিজাইনিং বা ডেভেলপমেন্টের কাজই শিখতে হবে এমন কোন কথা নেই। ব্যবসা শিক্ষা শাখার ছাত্রছাত্রী দের জন্য হিসাবরক্ষণ, অনলাইন বিপণন ইত্যাদি ধরণের কাজ রয়েছে। 

আবার কনটেন্ট লেখার মতো মূল্যবান কাজও করতে পারেন যেকেউ। নতুন যারা তাদের জন্য পরামর্শ হচ্ছে প্রচুর জানতে হবে এবং শিখতে হবে। ইন্টারনেটে এধরণের রিসোর্সের কোন অভাব নেই। শুধু নিজের পছন্দের কোন কাজ বেছে নিতে হবে এবং সে অনুযায়ী নিজের দক্ষতার উন্নয়ন করতে হবে। কোন সমস্যায় পড়লে যেকোনো ফ্রিল্যান্সারকে জিজ্ঞাসা করলেই সমাধান পেয়ে যাবেন আশা করি। আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সাররা অন্যদের সমস্যা সমাধানে বেশ আন্তরিক।




Facebook Page

Share:

Registration

Follow us on

Powered by Blogger.

Recent Posts

Download